Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
তলপেটের মেদ কমাতে খাবেন না যে তিন খাবার

তলপেটের মেদ কমাতে খাবেন না যে তিন খাবার

 

উলিপুর৭১ অনলাইন ডেস্ক: অনেকেই নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, খাবারের তালিকাও বদলান। তবু তলপেটের মেদ কমার নামই নেয় না। শরীরের অন্য অংশের ওজন কমলেও পেটের ভুঁড়ি যেন থেকেই যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক সময় কিছু খাবার অজান্তেই ওজন বাড়িয়ে দেয়। যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায় পেটের অংশে।

বলিউড অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার প্রশিক্ষক সীদ্ধার্ত সিং জানিয়েছেন, এমন তিন ধরনের খাবার রয়েছে যেগুলো দেখতে স্বাস্থ্যকর মনে হলেও নিরবে ওজন বাড়াতে পারে। তাই তলপেটের মেদ কমাতে চাইলে এসব খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি। কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকেই ভাবেন স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেলে ক্ষতি নেই। কিন্তু বাস্তবে কিছু খাবারে ক্যালোরির পরিমাণ এত বেশি থাকে যে বেশি খেলে উল্টো ওজন বাড়তে পারে।

বাদামের মাখন

বাদামের মাখনে প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি থাকায় অনেকেই এটি নিয়মিত খান। রুটি বা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাসও আছে অনেকের। তবে প্রশিক্ষকের মতে, এতে ক্যালোরি অনেক বেশি থাকে। তাই পরিমাণের দিকে নজর না রাখলে এটি ওজন কমানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

দানাশস্যের মিশ্রণ

অনেকে সকালে দানাশস্যের বিভিন্ন মিশ্রণ খেতে পছন্দ করেন। এটিকে অনেক সময় স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবেই ধরা হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে পাওয়া অনেক দানাশস্যের মিশ্রণে অতিরিক্ত চিনি ও শুকনো ফল থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং নিয়মিত খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

বিয়ার জাতীয় পানীয়

সপ্তাহে একদিন খেলেও এই ধরনের পানীয় ওজন কমানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এতে প্রচুর ক্যালোরি থাকে এবং বেশি পান করলে শরীরের বিপাকক্রিয়ার গতি কমে যেতে পারে। ফলে পেটের মেদ কমানো কঠিন হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তলপেটের মেদ কমাতে শুধু শরীরচর্চা করলেই হবে না, খাবারের দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পরিমিত খাবারই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

 সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

পরিচালকের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ অধরার

পরিচালকের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ অধরার

 

‘ভায়োলেন্স’ সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন অভিনেত্রী অধরা খান। গত আগস্টের শেষ দিকে সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে। এটি পরিচালনা করেছেন কামাল হোসেন বাবর।

আজ রোববার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে অধরা খান লিখেছেন, ‘পরিচালকের অপেশাদার আচরণ ও যথাযথ যোগাযোগের অভাবে আমি অনেক আগেই সিনেমাটি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি।’

অধরার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বাবরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সাড়া মেলেনি।

গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে কানাডার টরন্টোতে সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অধরা ছাড়াও জায়েদ খান, শিরিন শিলাসহ আরও অনেকে অভিনয় করেছেন।
সিনেমাটিকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন অধরা।

তিনি জানান, ‘ভায়োলেন্স’-এর জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে হলিউডসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ নিতে পারেননি। চুক্তিগত গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা থাকায় সেসব কাজের বিস্তারিত প্রকাশ করতে পারছেন না।

সুত্র: প্রথম আলো

দাম বেড়েছে সবজির, সংকট সয়াবিন তেলের

দাম বেড়েছে সবজির, সংকট সয়াবিন তেলের

 

বাণিজ্য ডেস্ক: ঈদের আগের তুলনায় অর্থাৎ প্রায় দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দামই কমবেশি বেড়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ১০০ টাকার আশপাশে, যা আগের তুলনায় প্রায় ২০ টাকা বেশি।
এছাড়া বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট চলছে। আগের চেয়ে নির্ধারিত দাম না বাড়লেও অনেক দোকানে সয়াবিন তেল নেই। যে কারণে অনেকে বোতলের গায়ের দামের চেয়ে কেজিপ্রতি ৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন।
সবজি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে বর্তমানে চাহিদার তুলনায় সবজির সরবরাহ কম। শীতের অধিকাংশ সবজি শেষ হয়ে গেছে আর গ্রীষ্মের অনেক সবজি এখনো বাজারে কম। এ কারণে দাম বেড়েছে।

রাজধানীর রামপুরা বাজারে সকালে ঢুকতেই সবজির বাড়তি দামের আঁচ পাওয়া গেল। দাম নিয়ে এক সবজি বিক্রেতার সঙ্গে তর্কে জড়ান স্থানীয় বাসিন্দা বিধান চন্দ্র। তিনি সেখান থেকে ১০০ টাকা দরে আধা কেজি বরবটি ও করলা কিনেছেন। তিনি বলেন, ঈদের আগেই সব সবজি ৬০ টাকার আশপাশে ছিল। ঈদের পরে সব বেড়ে যাচ্ছে।
ওই বাজারের পাশাপাশি মালিবাগ ও শান্তিনগর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারভেদে করলা, ঝিঙা, ধুন্দুল, চিচিঙ্গা ৮০–১০০ টাকায়, পটোল, ঢ্যাঁড়স ৬০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির মধ্যে দাম কম রয়েছে পেঁপের, তাও ৪০-৫০ টাকা। অবশ্য কারওয়ান বাজারের মতো বড় বাজারে সবজির এ দাম আরও কিছুটা কম।এছাড়া খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে ৩৫-৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া আলু, আদা, রসুন ও আলুর দাম আগের মতোই রয়েছে।  এদিকে, বাজারে আবারও সয়াবিন তেলের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক দোকানেই তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু দোকানে পাওয়া গেলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে। অর্থাৎ কোনো দোকানে ৫ লিটারের বোতলজাত তেল থাকলেও এক-দুই লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কোনো কোনো দোকানে প্রতি লিটারে নির্ধারিত দাম ১৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে।মালিবাগ বাজারের বিক্রেতা এনামুল বলেন, কোম্পানি তেল দেয় না। ঈদের পর থেকে অর্ডার নিচ্ছে না। যে কারণে ৫ টাকা বেশি দিয়ে বাইরে থেকে কিনে আনি।
আরেক বিক্রেতা বলেন, আজ ঈদের পর প্রথম একটা কোম্পানি তেল দিয়ে গেছে। দুই লিটারের মাত্র তিন কার্টন তেল। আর বলেছে, দাম বাড়ানোর আগে মাল দেবে না। নতুন রেট এলে নতুন তেল পাবেন।
প্রসঙ্গত, সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে একলাফে ১৮ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকরা। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দুই দফা বৈঠকের পরও দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস ২৭ মার্চ ট্যারিফ কমিশনে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে ১ এপ্রিল থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৩ টাকা হবে বলে জানায় পরিশোধন কারখানার মালিকদের ওই সংগঠন। সেই হিসাবে লিটারে দাম বাড়ছে ১৮ টাকা। তবে দাম বাড়ানোর জন্য সরকারের অনুমতি এখনো মেলেনি। যে কারণে দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে।