Showing posts with label খেলার খবর. Show all posts
Showing posts with label খেলার খবর. Show all posts
জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপের সেমিফাইনালে কুড়িগ্রাম পৌরসভা

জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপের সেমিফাইনালে কুড়িগ্রাম পৌরসভা

জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠেছে কুড়িগ্রাম পৌরসভা। রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে কুড়িগ্রাম স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে চর রাজিবপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করে দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে কুড়িগ্রাম পৌরসভা। দুই দলের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে খেলা। প্রথমার্ধেই দুই গোল করে এগিয়ে যায় পৌরসভা দল। পরে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।

খেলা শুরুর আগে দুই দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন আমন্ত্রিত অতিথিরা। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের (জিআইইউ) পরিচালক ও যুগ্ম সচিব মো. মনিরুল ইসলাম পাটওয়ারী

তিনি বলেন, যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ের তরুণ ফুটবলারদের জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনতে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি অন্নপূর্ণা দেবনাথ। এ ছাড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবুসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল কুড়িগ্রাম পৌরসভা।

 

উলিপুরে খেলার সময় বজ্রপাতে এক কিশোরের মৃত্যু

উলিপুরে খেলার সময় বজ্রপাতে এক কিশোরের মৃত্যু


কুড়িগ্রামের উলিপুরে খেলার সময় বজ্রপাতে রানা মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় লাবন্য মিয়া (১২) নামে অপর এক কিশোর আহত হয়।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম আঠারপাইকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত রানা মিয়া ওই গ্রামের আফজাল মিয়ার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিম আঠারপাইকা গ্রামের জাহিদুল হকের ছেলে লাবন্য মিয়া ও আফজাল মিয়ার ছেলে রানা মিয়া বাড়ির পাশের একটি জমিতে খেলছিল। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টিসহ বজ্রপাত শুরু হলে তারা দুজনই গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রানা মিয়ার মৃত্যু হয়।
নিহত রানা মিয়ার চাচাতো ভাই রাজু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুপুরে তারা বাড়ির পাশের জমিতে খেলছিল। এ সময় বজ্রপাতে দুইজন আহত হয়। পরে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রানা মারা যায়। লাবন্য বর্তমানে কিছুটা সুস্থ আছে। হতাহতরা দুজন সম্প‌র্কে চাচা ভা‌তিজা ব‌লে জানান তি‌নি।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দীক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।


দাম বেড়েছে সবজির, সংকট সয়াবিন তেলের

দাম বেড়েছে সবজির, সংকট সয়াবিন তেলের

 

বাণিজ্য ডেস্ক: ঈদের আগের তুলনায় অর্থাৎ প্রায় দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দামই কমবেশি বেড়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ১০০ টাকার আশপাশে, যা আগের তুলনায় প্রায় ২০ টাকা বেশি।
এছাড়া বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট চলছে। আগের চেয়ে নির্ধারিত দাম না বাড়লেও অনেক দোকানে সয়াবিন তেল নেই। যে কারণে অনেকে বোতলের গায়ের দামের চেয়ে কেজিপ্রতি ৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন।
সবজি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে বর্তমানে চাহিদার তুলনায় সবজির সরবরাহ কম। শীতের অধিকাংশ সবজি শেষ হয়ে গেছে আর গ্রীষ্মের অনেক সবজি এখনো বাজারে কম। এ কারণে দাম বেড়েছে।

রাজধানীর রামপুরা বাজারে সকালে ঢুকতেই সবজির বাড়তি দামের আঁচ পাওয়া গেল। দাম নিয়ে এক সবজি বিক্রেতার সঙ্গে তর্কে জড়ান স্থানীয় বাসিন্দা বিধান চন্দ্র। তিনি সেখান থেকে ১০০ টাকা দরে আধা কেজি বরবটি ও করলা কিনেছেন। তিনি বলেন, ঈদের আগেই সব সবজি ৬০ টাকার আশপাশে ছিল। ঈদের পরে সব বেড়ে যাচ্ছে।
ওই বাজারের পাশাপাশি মালিবাগ ও শান্তিনগর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারভেদে করলা, ঝিঙা, ধুন্দুল, চিচিঙ্গা ৮০–১০০ টাকায়, পটোল, ঢ্যাঁড়স ৬০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির মধ্যে দাম কম রয়েছে পেঁপের, তাও ৪০-৫০ টাকা। অবশ্য কারওয়ান বাজারের মতো বড় বাজারে সবজির এ দাম আরও কিছুটা কম।এছাড়া খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে ৩৫-৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া আলু, আদা, রসুন ও আলুর দাম আগের মতোই রয়েছে।  এদিকে, বাজারে আবারও সয়াবিন তেলের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক দোকানেই তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু দোকানে পাওয়া গেলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে। অর্থাৎ কোনো দোকানে ৫ লিটারের বোতলজাত তেল থাকলেও এক-দুই লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কোনো কোনো দোকানে প্রতি লিটারে নির্ধারিত দাম ১৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে।মালিবাগ বাজারের বিক্রেতা এনামুল বলেন, কোম্পানি তেল দেয় না। ঈদের পর থেকে অর্ডার নিচ্ছে না। যে কারণে ৫ টাকা বেশি দিয়ে বাইরে থেকে কিনে আনি।
আরেক বিক্রেতা বলেন, আজ ঈদের পর প্রথম একটা কোম্পানি তেল দিয়ে গেছে। দুই লিটারের মাত্র তিন কার্টন তেল। আর বলেছে, দাম বাড়ানোর আগে মাল দেবে না। নতুন রেট এলে নতুন তেল পাবেন।
প্রসঙ্গত, সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে একলাফে ১৮ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকরা। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দুই দফা বৈঠকের পরও দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস ২৭ মার্চ ট্যারিফ কমিশনে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে ১ এপ্রিল থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৩ টাকা হবে বলে জানায় পরিশোধন কারখানার মালিকদের ওই সংগঠন। সেই হিসাবে লিটারে দাম বাড়ছে ১৮ টাকা। তবে দাম বাড়ানোর জন্য সরকারের অনুমতি এখনো মেলেনি। যে কারণে দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে।