সর্বশেষ খবর

উলিপুরে বাইপাস সড়কের দাবিতে মানববন্ধন

উলিপুরে বাইপাস সড়কের দাবিতে মানববন্ধন

কুড়িগ্রামের উলিপুরে কেসি রোডে হেলিপ্যাড হতে আমিন মোড় পর্যন্ত বাইপাস সড়কের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) সকালে বাইপাস সড়ক চাই বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে মাসজিদুল হুদার সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

দীর্ঘদিন থেকে সকাল, দুপুর ও মধ্যরাত পর্যন্ত কেসি রোডে জ্যাম লেগেই থাকে। ভারি যানবাহন থেকে লোড-আনলোড করার তেমন সুব্যবস্থাও নেই এই সড়কে। মানুষের জীবনমান ক্ষানিকটা বদলালেও বদলায়নি কেসি রোড়ের প্রশস্ততা ফলে যানজট লেগেই আছে এবং দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে মানুষ। 

চিলমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রোগী পরিবাহী এম্বুলেন্স ও ভারি পরিবহন, যাত্রী পরিবহন গাড়িগুলোও এসে আমিন মোড় থেকে হ্যালিপ্যাড পর্যন্ত জ্যামে পড়ে যায়। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হয় রোগি ও তার সাথে থাকা মানুষ ও সাধারণ মানুষ। ঘন্টার পর ঘন্টা সাধারণ পথচারীরা এই যানজটের কারনে বিড়ম্বনা শিকার হয় প্রতিদিন। এই দুর্ভোগ কাটানোর জন্যই উলিপুর বাসির পক্ষে বাইপাস সড়ক চাই বাস্তবায়ন কমিটি আজ এ মানববন্ধন করে। 

এমময় উক্ত কমিটির সভাপতি সোলায়মান সরদারের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে উলিপুর বাসির পক্ষে বক্তব্য রাখেন, হামিদুল ইসলাম, আব্দুল হালিম, খায়রুজ্জামান, ওয়াদুদ প্রমূখ। 

বক্তারা বলেন, প্রতি সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় এসে সড়কের দুরবস্থা দেখে সংস্কার তথা পাকা করণের প্রতিশ্রুতি দিলেও দীর্ঘ সময়েও প্রতিনিধিরা কথা রাখেনি। তারা আরো বলেন, এই দুরবস্থার মধ্য দিয়েই প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়েই রিকশা, অটোরিকশা, বাস, মিনিবাস, লোড ট্রাক, ডাম্পার ট্রাক, এ্যাম্বুলেন্স চলাচল করতে নিয়ে ছোটো বড়ো দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। 

বাইপাস সড়ক চাই বাস্তবায়ন কমিটির সহ-সভাপতি আফছার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ সরকার, সহসাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ সবুজ, সমন্বয়ক ওবায়দুল ইসলাম, সহ-সমন্বয়ক আ ন ম রেজাউল ইসলামসহ উলিপুরের বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন। শেষে বিভিন্ন দপ্তরের কর্তৃপক্ষের নিকট স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। 


তথ্যসুত্রঃকামরুজ্জামান স্বাধীন, উলিপুর,কুড়িগ্রাম।

উলিপুরে শিশুকে বলৎকারের ঘটনায় কিশোর আটক

উলিপুরে শিশুকে বলৎকারের ঘটনায় কিশোর আটক

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ৫ বছরের  শিশুকে বলাৎকারের ঘটনায় এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। বর্তমানে বলৎকার হওয়া শিশুটি কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, পৌরসভার জোনাইডাঙ্গা রেল স্টেশন এলাকায়। গ্রেপ্তারকৃত কিশোরকে বুধবার (৩ জুন) আদালতে পাঠানো হয়েছে। আটককৃত কিশোর  (১৫) কে পৌরসভার জোনাইডাঙ্গা রেল স্টেশন এলাকার সোহেল রানার ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার জোনাইডাঙ্গা রেল স্টেশন এলাকার ওই শিশু মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি পাশে অন্য শিশুদের সাথে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশি কিশোর (১৫) শিশুটিকে ফুসলিয়ে খেলার মাঠের পাশেই বন্ধ থাকা একটি মাদ্রাসায় নিয়ে যায়। এরপর মাদ্রাসার নির্মানাধীন কক্ষে শিশুটিকে ভয়ভীতি ও মারধর করে মুখ চেপে ধরে বলাৎকার করে। 

এসময় শিশুটির পায়ুপথ দিয়ে রক্ত বের হওয়া শুরু হলে ওই কিশোর ঘটনা কাউকে না জানানোর ভয় দেখিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়িতে এসে পরিবারের লোকজনকে ঘটনা জানালে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। 

ধীরে ধীরে শিশুটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। মর্মান্তিক এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিশুটির পিতা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উলিপুর থানায় মামলা করলে পুলিশ ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেন। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশুটি বর্তমানে সুস্থ্য রয়েছে। তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে। উলিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কমল কিশোর ঘোষ জানান, গ্রেপ্তারকৃত কিশোরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 


 কুড়িগ্রামে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

কুড়িগ্রামে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কের ছিনাই এলাকায় ট্রাক ও  ব্যাটারী চালিত অটো রিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ এবং আহত ২ জন।

বুধবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার হক হিমাগারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দ্রুতগতির একটি বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই অটোর এক যাত্রীর মৃত্যু হয়।

নিহত ব্যক্তি সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের সলেয়া চৌকিদারের ছেলে ও সুপারি ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দুই যাত্রীকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ঘাতক ট্রাকটি আটক করে।

রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


উলিপুরে খেলার সময় বজ্রপাতে এক কিশোরের মৃত্যু

উলিপুরে খেলার সময় বজ্রপাতে এক কিশোরের মৃত্যু


কুড়িগ্রামের উলিপুরে খেলার সময় বজ্রপাতে রানা মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় লাবন্য মিয়া (১২) নামে অপর এক কিশোর আহত হয়।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম আঠারপাইকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত রানা মিয়া ওই গ্রামের আফজাল মিয়ার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিম আঠারপাইকা গ্রামের জাহিদুল হকের ছেলে লাবন্য মিয়া ও আফজাল মিয়ার ছেলে রানা মিয়া বাড়ির পাশের একটি জমিতে খেলছিল। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টিসহ বজ্রপাত শুরু হলে তারা দুজনই গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রানা মিয়ার মৃত্যু হয়।
নিহত রানা মিয়ার চাচাতো ভাই রাজু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুপুরে তারা বাড়ির পাশের জমিতে খেলছিল। এ সময় বজ্রপাতে দুইজন আহত হয়। পরে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রানা মারা যায়। লাবন্য বর্তমানে কিছুটা সুস্থ আছে। হতাহতরা দুজন সম্প‌র্কে চাচা ভা‌তিজা ব‌লে জানান তি‌নি।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দীক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।


হামের টিকা নিয়ে দোষীদের খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হামের টিকা নিয়ে দোষীদের খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

উলিপুর৭১ ডেস্ক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আমার সংকটকাল অতিক্রম করছি। হামের টিকা নিয়ে কে দোষ করেছে সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি

বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় আগামী জুনের মধ্যে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম সংক্রমণ পরিস্থিতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো হলেও, সরকার এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। বেশিরভাগ জেলাতেই টিকাদান শেষ হয়েছে। বাকি শিশুদেরকেও টিকার আওতায় আনা হবে।
এছাড়া, আগামী জুনের মধ্যে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হবে।
হামের এই ভয়াবহ দুর্যোগ কাটিয়ে উঠার পর, এমন সংকটময় পরিস্থিতির পেছনে কারা দায়ী, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সরকারের টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা এবং ইপিআই কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে সরকারকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান হিসেবে দিয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন।
সময়মতো টিকা না দেওয়ায় সারা দেশেই হাম সংক্রমনের বলি হচ্ছে দেশের শিশুরা।
প্রশ্ন উঠেছে, যে রোগে মৃত্যু শূন্যে নেমেছিল, সেই রোগেই এত প্রাণ কেন যাচ্ছে? এ অবস্থায় চিকিৎসকরা বলছেন, সময়মতো টিকার অভাবেই হাম সারাদেশে মহামারি আকার ধারণ করেছে।
মন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছেন হামের পরেই অনেকের নিউমোনিয়া হয়ে যায়। ভেন্টিলেশনই এই রোগের শেষ চিকিৎসা। আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে সেই ভেন্টিলেশন দিয়েছি। আমাদের হাতে আজকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমেরিকা থেকে আরও দশটি ভেন্টিলেটর দান করেছে একজন বেসরকারি ফার্মাসিটিউক্যালস উদ্যাক্তা। আমরা সেগুলো আজকে বণ্টন করব।
আমাদের হামের চিকিৎসা চলছে, আইসোলেশন চলছে, আইসিইউ আছে, চিকিৎসকরাও সচেষ্ট আছে। আমরা চেষ্টা করছি, আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন।
তিনি বলেন, আজকে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাক চায়না সরকারের এনড্রোসমেন্টসহ ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল, যা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ ভ্যাকসিন হাতে পেয়েছি। আমাদের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। আমরা পোলিও ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করব। এটা দেওয়া কোনো অসুবিধা হবে না।
আমরা অ্যান্টিরেবিস টিকাও দেওয়া শুরু করছি। একটা রোগীও এই ভ্যাকসিনের বাইরে থাকবে না। প্রতিটা ভ্যাকসিনেসন এখন চলছে।
ভিটামিন এ ক্যাপসুলটা একটু শর্ট আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-এ পেয়ে যাবো। পূর্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন-এ দেবো। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না।
হামের টিকার সংকট নিয়ে প্রশ্ন করা করা হলে মন্ত্রী বলেন, আমরা তো আশা করি। আমরা তো টিকাই দিচ্ছি। হামের টিকার ওপরে তো আর কোন ট্রিটমেন্ট নেই। ইট টজ ‍এ কন্টিনিউয়াজ প্রসেস। উই আর কন্টিনিউ এভরি ডে। এমন না যে আমাদের টার্গেট শেষ হয়ে গেলে আমরা অফ হয়ে যাবো, আমরা খুঁজে খুজে টিকা দিবো। যেখানে হান্ড্রেড পার্সেন্ট টার্গেট আমাদের হয়েছে ওয়ালর্ড হেল্থ অর্গানাজেশন স্বীকার করেছে যে আমাদের টার্গেট ফিলাপ হয়েছে।এখন আমরা উই আর লুকিং ফর দ্য বেবিস আনভ্যাক্সিনেটেট। আমাদের রুটিন ইপিআই চলমান রয়েছে।
এ সময় আগামী জুনের মধ্যে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
হামের প্রাদুর্ভাবে খালি হচ্ছে অনেক মায়ের কোল। সন্তান হারানোর আর্তনাদে ভারি হয়ে উঠেছে হাসপাতালের পরিবেশ। এরইমধ্যে মৃত্যু ৪০০ ছাড়িয়েছে। তবে, বর্তমানে দেশজুড়ে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ৯৮ ভাগ শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হলেও নিয়ন্ত্রণের লক্ষণ নেই।
টিকা নিয়ে অব্যবস্থাপনা যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করবেন কিনা, এমন প্রশ্ন উত্তরে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত করবো না সেটা বলিনি। এখন আমার সংকটকাল অতিক্রম করছি। এই ক্রাইসিসটা শেষ হলেই আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেব। টিকা নিয়ে কি ভুল করেছে সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়ের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি।
x