সর্বশেষ খবর

রৌমারীতে ধানবোঝাই ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে চালকসহ ৫ জন নিহত

রৌমারীতে ধানবোঝাই ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে চালকসহ ৫ জন নিহত

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ধানবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার চালকসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। এ ঘটনায় বৃষ্টি খাতুন (২৫) নামে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন ব‌লে জানানৎ গে‌ছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের সায়েদাবাদ বাজারের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, শরিফা বেগম, লিপি বেগম, তুবা খাতুন (৭), রিশাদ মিয়া (১২) ও অটোরিকশার অজ্ঞাতপরিচয় চালক।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান বলেন, কাউনিয়ারচর থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশা কর্তীমারীর দিকে যাচ্ছিল। পথে শিবেরডাঙ্গি বাজারের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা ধানবোঝাই একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে চালকসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান আরও দুজন।

রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাউসার আলী পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের চারজন একই পরিবারের সদস্য। অটোরিকশাচালকের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। ট্রাক পু‌লিশ হেফাজ‌তে র‌য়ে‌ছে। এ বিষয় আইনি ব‌্যবস্থা নেওয়া হ‌য়ে।

 

উলিপুরে দুর্যোগ উদ্ধার সামগ্রী বিতরণ

উলিপুরে দুর্যোগ উদ্ধার সামগ্রী বিতরণ

 কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন পরিষদে বন্যা কবলিত ৩টি ওয়ার্ডে ১৮ ধরণের অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজ পরিচালনার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা এ টি এম বেনজীর রহমান।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের সিনিয়র ইউপি সদস্য আব্বাস আলী, দাতা সংস্থা হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার আসিফ আরাফাত, স্থানীয় সংস্থা মহিদেব যুব সমাজ কল্যাণ সমিতির সেন্ট্রাল মনিটরিং অফিসার, ভূদেব কুমার রায়, প্রজেক্ট ম্যানেজার শাহ আলম, প্রজেক্ট অফিসার জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
স্থানীয় বাস্তবায়নকারী সংস্থা মহিদেব যুব সমাজ কল্যাণ সমিতি কর্তৃক পরিচালিত ‘বাংলাদেশের জলবায়ু সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থানীয়ভাবে পরিচালিত পদক্ষেপ’ প্রকল্পের আওতায় বুড়াবুড়ি ইউনিয়নে বন্যাকবলিত ২, ৩ ও ৯নং ওয়ার্ডে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
উপকরণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে উদ্ধার বক্স, স্ট্রেচার, হ্যান্ডমাইক, লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়া, টর্সলাইট, প্রাথমিক চিকিৎসার বক্স ও উপকরণ, দঁড়ি, নাইফ দা, করাত, তালাচাবি, হ্যাকস ব্লেড, পরিমাপ ফিতা, ৯টি পতাকা, হুইল চেয়ার, রেইনকোট, ত্রিপল ও বড় ট্রাংক।

প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য: উলিপুরে সরকারি জায়গায় জেনারেটর আবার চালু, জনভোগান্তি চরমে

প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য: উলিপুরে সরকারি জায়গায় জেনারেটর আবার চালু, জনভোগান্তি চরমে

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের উলিপুরে উপজেলা প্রশাসনের কড়া হুঁশিয়ারি ও উচ্ছেদ অভিযান সত্ত্বেও সরকারি জায়গায় পুনরায় নিষিদ্ধ সেই উচ্চশব্দ সৃষ্টিকারী জেনারেটর চালু করা হয়েছে। প্রশাসনের দেওয়া নির্দেশনা অমান্য করে জেনারেটর চালু করায় পুনরায় তীব্র শব্দ ও বায়ুদূষণের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উলিপুরের প্রাণকেন্দ্রে একটি সরকারি জায়গায় জেনারেটর বসিয়ে স্থায়ী কক্ষ নির্মাণের চেষ্টা করা হলে গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সেখানে অভিযান চালান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মেহেদী হাসান। সেসময় নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়, জেনারেটরের পরিচালনা বন্ধ করে সংশ্লিষ্টদের জিম্মায় রাখা হয় এবং ভবিষ্যতে জেনারেটর চালু করলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মেশিন জব্দ ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে প্রশাসনের এই অভিযানের মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে কর্তৃপক্ষের কঠোর নির্দেশনা তোয়াক্কা না করেই জেনারেটরটি আবারও চালু করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিকট শব্দ ও ধোঁয়ার কারণে আশপাশের পরিবেশে মারাত্মক ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া নিয়ম অমান্য করায় চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে সচেতন মহলে।

ঘটনাটি স্থানীয় সুশীল সমাজ ও বাসিন্দাদের চরম হতাশ করেছে। তারা জানান, প্রশাসনের তাৎক্ষণিক উদ্যোগে জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, অসাধু চক্রটির এমন আইন অমান্য করার মানসিকতায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে।এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মেহেদী হাসানের  মন্তব্য নেয়ার জন্য মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

তলপেটের মেদ কমাতে খাবেন না যে তিন খাবার

তলপেটের মেদ কমাতে খাবেন না যে তিন খাবার

 

উলিপুর৭১ অনলাইন ডেস্ক: অনেকেই নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, খাবারের তালিকাও বদলান। তবু তলপেটের মেদ কমার নামই নেয় না। শরীরের অন্য অংশের ওজন কমলেও পেটের ভুঁড়ি যেন থেকেই যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক সময় কিছু খাবার অজান্তেই ওজন বাড়িয়ে দেয়। যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায় পেটের অংশে।

বলিউড অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার প্রশিক্ষক সীদ্ধার্ত সিং জানিয়েছেন, এমন তিন ধরনের খাবার রয়েছে যেগুলো দেখতে স্বাস্থ্যকর মনে হলেও নিরবে ওজন বাড়াতে পারে। তাই তলপেটের মেদ কমাতে চাইলে এসব খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি। কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকেই ভাবেন স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেলে ক্ষতি নেই। কিন্তু বাস্তবে কিছু খাবারে ক্যালোরির পরিমাণ এত বেশি থাকে যে বেশি খেলে উল্টো ওজন বাড়তে পারে।

বাদামের মাখন

বাদামের মাখনে প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি থাকায় অনেকেই এটি নিয়মিত খান। রুটি বা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাসও আছে অনেকের। তবে প্রশিক্ষকের মতে, এতে ক্যালোরি অনেক বেশি থাকে। তাই পরিমাণের দিকে নজর না রাখলে এটি ওজন কমানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

দানাশস্যের মিশ্রণ

অনেকে সকালে দানাশস্যের বিভিন্ন মিশ্রণ খেতে পছন্দ করেন। এটিকে অনেক সময় স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবেই ধরা হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে পাওয়া অনেক দানাশস্যের মিশ্রণে অতিরিক্ত চিনি ও শুকনো ফল থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং নিয়মিত খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

বিয়ার জাতীয় পানীয়

সপ্তাহে একদিন খেলেও এই ধরনের পানীয় ওজন কমানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এতে প্রচুর ক্যালোরি থাকে এবং বেশি পান করলে শরীরের বিপাকক্রিয়ার গতি কমে যেতে পারে। ফলে পেটের মেদ কমানো কঠিন হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তলপেটের মেদ কমাতে শুধু শরীরচর্চা করলেই হবে না, খাবারের দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পরিমিত খাবারই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

 সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

ডেঙ্গু মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা

ডেঙ্গু মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা

 


 উলিপুর৭১ অনলাইন ডেক্স:

ক্রমশ ভয়ংকর রূপ ধারণ করতে থাকা ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য জরুরি এক ভিডিও বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বার্তায় নিজ নিজ বাসাবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পেছনে সপ্তাহে কমপক্ষে দুই দিন আধা ঘণ্টা করে সময় ব্যয় করতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তাটি শেয়ার করা হয়েছে।
বার্তায় দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলা করুন, এডিস মশার জন্মস্থান ধ্বংস করুন।
তারেক রহমান বলেন, আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আমি আপনাদের সামনে একটু আলাপ করতে চাই, একই সাথে আপনাদের সহযোগিতা দরকার এই সমস্যাটির কিছুটা হলেও সমাধান করার জন্য। আমরা একসাথে হয়েই ১৯৭১ সালে এই দেশকে স্বাধীন করেছিলাম। আমরা সকলে একসাথে ১৯৯০-এর সেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকেও সফল করেছিলাম। আবার সকলস্তরের মানুষ একত্রিত হয়ে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকেও সফল করেছিলাম। আমরা যদি এতগুলো কাজ পারি, তাহলে কেন আমরা দেশের অন্য যে সকল সমস্যা আছে, সকলে মিলে যদি একটু একটু করে আমরা কন্ট্রিবিউট করি, একটু একটু করে যদি আমরা অংশগ্রহণ করি, কেন পারব না?
তিনি বলেন, আজকের যে বিষয়টি নিয়ে আমি আপনাদের সামনে আলাপ করতে চাই সেটি হচ্ছে ডেঙ্গু। আমরা পত্রিকার পাতা খুললেই প্রায় দেখি যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন বয়সের মানুষ মারা গিয়েছেন, বিভিন্ন মানুষ অসুস্থ হয়ে গিয়েছেন। যার আপনজনটি হারিয়ে গিয়েছে সেই কষ্টটা বুঝে। কিন্তু আমরা যদি সকলে মিলে চেষ্টা করি, সকলে মিলে যদি একটু একটু করে এগিয়ে আসি, তাহলে অনেক মানুষকে আমরা সাহায্য করতে পারবো, এই আপনজন হারানোর বেদনা থেকে রক্ষা করতে পারবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের যদি আমরা সংখ্যা বিবেচনা করি প্রায় আড়াই কোটির মতন। এর বাইরেও বিভিন্ন সংগঠন যেমন বিএনসিসি, স্কাউটস, গার্ল গাইড, রেড ক্রিসেন্টের মেম্বার যারা আছেন, রেড ক্রসের মেম্বার যারা আছেন, আমরা যদি এগুলো বিবেচনা করি তাও প্রায় ৪০ লাখ। এই যে সদস্যগুলো, এরা গত প্রায় এক মাস ধরে প্রতি শনিবার চেষ্টা করছে সমগ্র দেশের সবগুলো জেলায়, উপজেলায় যতটুকু সম্ভব চারদিকে যে আবর্জনা-ময়লা সেটিকে কিছুটা হলেও যতটুকু সম্ভব পরিষ্কার করার জন্য। আমরা সকলেই জানি, আপনারাও প্রত্যেকে যারা দেখছেন এই ভিডিও কমবেশি সকলেই জানেন যে, এই ডেঙ্গুর যে এডিস মশা, এটির উৎপত্তিস্থল হচ্ছে কিন্তু জমে থাকা পানি। সেটি ঘরের আনাচে-কানাচে হোক, সেটি রাস্তার বিভিন্ন পথে-ঘাটে বিভিন্ন জায়গায় হোক, যে আনাচে-কানাচে পানি জমে আছে অথবা যেভাবে ময়লা ও বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকছে তার ফলে পানি জমে থাকছে, সেই পানিগুলোতে এই মশাগুলো জন্ম নিচ্ছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গুর একটি টিকা আবিষ্কার হয়েছে বৈকি, তবে বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে টিকাটা খুব বেশি কার্যকর নয়। ডেঙ্গু যদি কারো হয়, তার সেই রোগ সারাতে টিকাটা খুব বেশি কার্যকর নয়। সবচেয়ে বেশি কার্যকর হচ্ছে যে জন্মস্থল ডেঙ্গুর, অর্থাৎ বিভিন্ন জায়গায় যে জমে থাকা পানি বা জমে থাকা ময়লা, এটাকে পরিষ্কার করে ফেলতে যদি আমরা পারি তাহলেই সবচেয়ে বেশি আমরা সফল হবো ডেঙ্গুকে প্রতিরোধ করতে।
তারেক রহমান বলেন, আপনাদের কাছে আজকে আমার আহ্বান, আপনাদের কাছে আজকে যে সহযোগিতা আমি চাই— আসুন না, আমরা প্রত্যেকটি মানুষ, প্রত্যেকটি পরিবার সপ্তাহে অন্তত দুই দিন করে যদি আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় দেই আমাদের ঘর, ঘরের আশপাশে এবং আমাদের চলার পথে যেখানে ডেঙ্গু মশা জন্ম নিতে পারে, বংশবিস্তার করতে পারে, এই জায়গাগুলোকে আমরা পরিষ্কার করে ফেলি, যাতে করে ডেঙ্গু মশা বংশবিস্তার করতে না পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সরকার তখনই সফল হয় যখন সকলকে একসাথে নিয়ে কাজ করে দেশের জন্য। প্রিয় দেশবাসী, আমার সরকার, আমরা দেশের সকল মানুষকে নিয়ে একসাথে দেশের সমস্যার সমাধান করতে চাই। দেশের সমস্যার সমাধান মানে— আপনার, আমার, আমাদের সকলের সমস্যার সমাধান। আসুন, আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করি। সকলে মিলে চেষ্টা করলে অবশ্যই আগামী দিনের এই ডেঙ্গুর অভিশাপ থেকে আমরা বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা করতে পারব।