স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উলিপুরের প্রাণকেন্দ্রে একটি সরকারি জায়গায় জেনারেটর বসিয়ে স্থায়ী কক্ষ নির্মাণের চেষ্টা করা হলে গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সেখানে অভিযান চালান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মেহেদী হাসান। সেসময় নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়, জেনারেটরের পরিচালনা বন্ধ করে সংশ্লিষ্টদের জিম্মায় রাখা হয় এবং ভবিষ্যতে জেনারেটর চালু করলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মেশিন জব্দ ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে প্রশাসনের এই অভিযানের মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে কর্তৃপক্ষের কঠোর নির্দেশনা তোয়াক্কা না করেই জেনারেটরটি আবারও চালু করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিকট শব্দ ও ধোঁয়ার কারণে আশপাশের পরিবেশে মারাত্মক ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া নিয়ম অমান্য করায় চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে সচেতন মহলে।
ঘটনাটি স্থানীয় সুশীল সমাজ ও বাসিন্দাদের চরম হতাশ করেছে। তারা জানান, প্রশাসনের তাৎক্ষণিক উদ্যোগে জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, অসাধু চক্রটির এমন আইন অমান্য করার মানসিকতায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে।এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মেহেদী হাসানের মন্তব্য নেয়ার জন্য মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
