কুড়িগ্রামে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ

কুড়িগ্রামে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ

উলিপুর৭১ ডেক্স:

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদে বন্যা কবলিত ৩টি ওয়ার্ডে ১৮ ধরণের অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজ পরিচালনার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে  বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) এ টি এম আরিফ। 
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন হাতিয়া ইউনিয়নের পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শামসুল হক, দাতা সংস্থা হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশনালের এরিয়া ম্যানেজার খন্দকার আবু তাহের মো. সিদ্দিকুর রহমান, স্থানীয় সংস্থা মহিদেব যুব সমাজ কল্যাণ সমিতির উপপরিচালক মো. মইনুল হক, ম্যানেজার শাহ আলম, প্রজেক্ট অফিসার জাহাঙ্গীর আলম, হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ সরকার প্রমুখ। 
স্থানীয় বাস্তবায়নকারী সংস্থা মহিদেব যুব সমাজ কল্যাণ সমিতি কর্তৃক পরিচালিত 'বাংলাদেশের জলবায়ু সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থানীয়ভাবে পরিচালিত পদক্ষেপ' প্রকল্পের আওতায় হাতিয়া ইউনিয়নে বন্যাকবলিত ৪, ৫ ও ৯নং ওয়ার্ডে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
উপকরণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে উদ্ধার বক্স, স্ট্রেচার, হ্যান্ডমাইক, লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়া, টর্সলাইট, প্রাথমিক চিকিৎসার বাক্স ও উপকরণ, দঁড়ি, নাইফ দা, করাত, তালাচাবি, হ্যাকস ব্লেড, পরিমাপ ফিতা, ৯টি পতাকা, হুইল চেয়ার, রেইনকোট, ত্রিপল ও বড় ট্রাংক।


চিলমারীতে “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে বসতবাড়িতে, সবজি চাষ বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন” প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

চিলমারীতে “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে বসতবাড়িতে, সবজি চাষ বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন” প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং পারিবারিক খাদ্য-নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, বসতবাড়িতে শাক-সবজি চাষ বিষয়ক দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৪ই অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে “অষ্টমীচর ইউনিয়ন পরিষদে উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা বরকত উল্লাহ” সভাপতিত্বে, ফ্রেন্ডশীপ এনজিওর “Disability Inclusive Development Programme” (FDIDP) প্রকল্পের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এ সময় উপজেলার ৬টি চর থেকে সেলফ-হেল্প গ্রুপের (SHG) সদস্যরা অংশ গ্রহণ করেন।

এ সময় প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা বরকত উল্লাহ এবং সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান। এ সময় বক্তারা বসত-বাড়ির আঙিনা, বাড়ির আশ-পাশে ও অব্যবহৃত জায়গায় কীভাবে পরিকল্পিত ভাবে শাক-সবজি চাষাবাদ করা যায়। সে বিষয়ের উপর অংশগ্রহণ কারীদের দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণে বাড়ির আঙিনায় উপযোগী শাক-সবজি নির্বাচন, জমি ও মাটি প্রস্তুত, বীজ বপন, চারা রোপণ, জৈব সার ব্যবহার, গাছের পরিচর্যা এবং রোগবালাই দমনের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি স্বল্প জায়গায় পারিবারিক চাহিদা অনুযায়ী সবজি উৎপাদন, এবং উৎপাদিত সবজি পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে কী ভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সহজলভ্য ও বাস্তব সম্মত কৃষি কাজের সুযোগ তৈরি করা” যাতে তাঁরা নিজেদের বাড়ির আঙিনা ও আশ-পাশের জায়গা কাজে লাগিয়ে শাক-সবজি উৎপাদন করতে পারেন। এর মাধ্যমে পরিবারের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উৎপাদন উদ্বৃত্ত হলে পারিবারিক আয় বৃদ্ধিরও সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানান তারা।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ফ্রেন্ডশিপ এনজির FDIDP প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার রুহুল আমিন সরকার, রিহ্যাবিলিটেশন অফিসার, টেকনিক্যাল সুপাdরভাইজার এবং সিবিআর (CBR) কর্মীরা সবাই উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণটি “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং তাঁদের জীবিকা” উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছেন। একই সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কৃষি ও জীবিকাভিত্তিক কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের সুযোগ বাড়াতে এবং অন্তর্ভুক্তি মূলক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে জানান তারা।

উলিপুরে সরকারি জায়গায় জেনারেটরের শব্দ ও বায়ুদূষণ: প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে স্বস্তি

উলিপুরে সরকারি জায়গায় জেনারেটরের শব্দ ও বায়ুদূষণ: প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে স্বস্তি


কুড়িগ্রামের উলিপুরে সরকারি জায়গা দখল করে জেনারেটর স্থাপন, এর শব্দ ও বায়ুদূষণ এবং নতুন করে অবৈধ কক্ষ নির্মাণের চেষ্টা বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপে নির্মাণকাজ বন্ধ হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। জনস্বার্থে এ ধরনের দ্রুত ও সাহসী পদক্ষেপে সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। 

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উলিপুরের একটি সরকারি জায়গায় উচ্চশব্দ সৃষ্টিকারী একটি ভারী জেনারেটর স্থাপন করা হয়েছিল। এটি নিয়মিত চালানোর ফলে আশপাশের এলাকায় তীব্র শব্দ ও বায়ুদূষণের সৃষ্টি হচ্ছিল। এর ফলে প্রতিদিন চলাচলকারী পথচারী ও আশপাশের বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি ওই জেনারেটরটি স্থায়ী রূপ দিতে সরকারি জায়গার ওপর নতুন করে একটি পাকা কক্ষ নির্মাণের অপচেষ্টা করা হয়।

অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি সরজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে জনস্বার্থে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং চলমান অবৈধ নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন।

সচেতন মহলের মতে, সরকারি সম্পত্তির নিরাপত্তা বিধান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জনস্বার্থ সুনিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের এমন গণমুখী ও ইতিবাচক তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রত্যাশা করেন। একইসঙ্গে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও পরিবেশবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রশাসনিক নজরদারির পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতাও অত্যন্ত জরুরি।

পরিচালকের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ অধরার

পরিচালকের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ অধরার

 

‘ভায়োলেন্স’ সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন অভিনেত্রী অধরা খান। গত আগস্টের শেষ দিকে সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে। এটি পরিচালনা করেছেন কামাল হোসেন বাবর।

আজ রোববার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে অধরা খান লিখেছেন, ‘পরিচালকের অপেশাদার আচরণ ও যথাযথ যোগাযোগের অভাবে আমি অনেক আগেই সিনেমাটি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি।’

অধরার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বাবরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সাড়া মেলেনি।

গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে কানাডার টরন্টোতে সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অধরা ছাড়াও জায়েদ খান, শিরিন শিলাসহ আরও অনেকে অভিনয় করেছেন।
সিনেমাটিকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন অধরা।

তিনি জানান, ‘ভায়োলেন্স’-এর জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে হলিউডসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ নিতে পারেননি। চুক্তিগত গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা থাকায় সেসব কাজের বিস্তারিত প্রকাশ করতে পারছেন না।

সুত্র: প্রথম আলো

কুড়িগ্রামে ৫৬৭ মণ্ডপে দুর্গোৎসব, নিরাপত্তায় বিশেষ নজরদারি

কুড়িগ্রামে ৫৬৭ মণ্ডপে দুর্গোৎসব, নিরাপত্তায় বিশেষ নজরদারি

কুড়িগ্রামে ৫৬৭টি পূজামণ্ডপে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যানজট নিরসন এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশেষ নজরদারির সিদ্ধান্ত হয়েছে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায়।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ। সভায় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনসহ জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৯টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভায় মোট ৫৬৭টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপিত হবে। উৎসব ঘিরে মণ্ডপগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, নিরাপত্তা জোরদার, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম ও কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান, বিজিবির ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক এস এ মাহাবুব উল আলম এবং এনএসআইয়ের উপপরিচালক আনিসুর রহমান।

রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব এবং জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন। গণমাধ্যমকর্মীদের পক্ষে বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্প্রীতির পরিবেশে ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপন প্রশাসনের অগ্রাধিকার। দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।