উলিপুরে পরিবারের উপর অভিমান করে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

উলিপুরে পরিবারের উপর অভিমান করে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

কুড়িগ্রামের উলিপুরে পরিবারের উপর অভিমান করে জব্বার (৫৫) নামের এক বৃদ্ধ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে,  সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে গুনাইগাছ ইউনিয়নের পূর্ব কালুডাঙ্গা এলাকায়। জব্বার ওই এলাকার মৃত মেহের উদ্দিনের পুত্র। জব্বারের ৩ জন সন্তান ও ১জন স্ত্রী রয়েছে।

‎স্থানীয় ও স্বজন সুত্রে জানা যায়, জব্বার পেশায় কাঠমিস্ত্রী ছিলেন এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজও করতেন। আজ থেকে প্রায় ৫বছর আগে ১ম স্ত্রী মারা যায় পরে দীর্ঘদিন একাকিত্ব জীবনযাপন করেন। কিছুদিন ২য় বিবাহ করেন। নিঃসন্তান ২য় স্ত্রীকে নিয়ে সংসার জীবন চালিয়ে যাচ্ছিলো জব্বার। ২য় স্ত্রীকে নিয় সংসার করায় বাড়িতে থাকা পুত্র ও পুত্রবধূদের সাথে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি হতো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীদের ভাষ্যমতে ২য় বিয়ে করার কারনে ছেলেদের সাথে প্রায় ঝগড়াঝাটি হতো যার কারনে আত্মহত্যা করতে পারে বলেন জানা যায়।

মোঙ্গলবার  (১৪ এপ্রিল) সকালে উলিপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে জব্বারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করনে।

এ বিষয়ে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাঈদ ইবনে সিদ্দিক জানান, বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করা হয় এবং একটি অপমৃত্যু মামলাও হয়েছে বলে জানান। 

#কামরুজ্জামান স্বাধীন/উলিপুর/সাব-এডিটর

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা: উলিপুরে আবারও হাসপাতালের ছাদ ধস

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা: উলিপুরে আবারও হাসপাতালের ছাদ ধস

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরাজীর্ণ ভবনে আবারও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের করিডোরে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও আউটডোর ও ইনডোরে রোগীদের ভিড় ছিল। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ করেই পুরাতন ভবনের একটি করিডোরের ছাদের পলেস্তারা বিকট শব্দে ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে ইট, বালু ও কংক্রিটের বড় বড় টুকরো পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনার সময় সেখান দিয়ে বেশ কয়েকজন রোগী যাতায়াত করলেও তারা অলৌকিকভাবে অক্ষত থাকেন।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা তরিকুল ইসলাম বলেন, এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চিকিৎসা নিতে আসা মানে জীবন বাজি রাখা।" শুধু রোগী নন, চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরাও প্রতিনিয়ত এই জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন বলে জানান তিনি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভবনটি দীর্ঘদিনের পুরোনো এবং জরাজীর্ণ। এর আগেও কয়েক দফা পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়ভাবে কিছু সংস্কার করা হলেও তা স্থায়ী কোনো সমাধান আনতে পারেনি।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবকাঠামোগত সমস্যার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বারবার জানানোর পরও কার্যকর সংস্কার বা নতুন ভবনের বরাদ্দ না আসায় দিন দিন ঝুঁকি বাড়ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীদের দাবি, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে জরাজীর্ণ এই ভবনটি দ্রুত পরিত্যক্ত ঘোষণা করে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত নতুন ভবন নির্মাণ করা হোক। অন্যথায় বড় কোনো প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েই যাচ্ছে।


রমজানে উলিপুরে সুলভ মূল্যে দুধ-ডিম, স্বস্তি ক্রেতাদের

রমজানে উলিপুরে সুলভ মূল্যে দুধ-ডিম, স্বস্তি ক্রেতাদের


 

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে কুড়িগ্রামের উলিপুরে সুলভ মূল্যে দুধ ও ডিম বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) দুপুরে উপজেলা পোস্ট অফিস মোড় সংলগ্ন যাত্রীছাউনী এলাকায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিক্রয় কেন্দ্রের আনু্ষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা. রেবা বেগমসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হবে এবং মজুদ থাকা পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত এই বিক্রয় কেন্দ্র থেকে একজন ক্রেতা লিটারপ্রতি ৬৫ টাকা দামে সর্বোচ্চ দুই লিটার দুধ এবং প্রতি কেস ডিম ২২৫ টাকা দামে সর্বোচ্চ দুই কেস পর্যন্ত ক্রয় করতে পারবেন।
উদ্বোধনকালে ইউএনও মাহামুদুল হাসান বলেন, রমজান মাসে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সুলভ মূল্যে দুধ ও ডিম বিক্রয়ের এই কার্যক্রম সেই উদ্যোগেরই একটি অংশ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পুরো রমজান মাসজুড়ে এ কার্যক্রম চালু থাকবে এবং এতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ও কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
 
উলিপুর৭১ নিউজ ডেক্স:
উলিপুরে শিক্ষকদের অভিযোগে তদন্ত শুরু

উলিপুরে শিক্ষকদের অভিযোগে তদন্ত শুরু

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর নির্দেশনা অনুযায়ী সহকারী শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস লালমনিরহাট অভিযোগের প্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিক তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, লালমনিরহাট কার্যালয়ের স্মারক নং-জেপ্রাশিঅ/লাল/২০২৬/১৯০৫(৬), তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ অনুযায়ী এ তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তাপসী বাবেয়া, সহকারী শিক্ষক, দাঁডার পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উলিপুর, কুড়িগ্রাম এবং মোঃ আশরাফুল আলম মিয়া, সহকারী শিক্ষক, নেফড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উলিপুর, কুড়িগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অনৈতিক প্রস্তাব ও অনিয়মের লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের বিষয় উত্থাপন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্মারক নং-৩৮.০১.০০০.৩০০.২৭.৬৭.২৫-০৫, তারিখ: ০৫/০২/২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ-এর নির্দেশনার আলোকে অভিযোগটি সরেজমিনে তদন্তের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সে অনুযায়ী ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, সকাল ১১.০০ ঘটিকায় উপজেলা শিক্ষা অফিস, উলিপুর, কুড়িগ্রামে তদন্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।

তদন্তে সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেন। তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা যাচাই, নথিপত্র পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে বলে জানা গেছে।

তদন্ত চলাকালীন সময়ে তদন্ত কক্ষের বাহিরে অনেক শিক্ষকসহ বহিরাগত কিছু লোক দেখা গেছে হট্রগোল করতে। এসময় অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান অভিযোগকারীকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করার কথা জানান একাধিক শিক্ষক । পরে অভিযোগকারী মোঃ আশরাফুল আলম মিয়া বিভিন্ন হুমকি বিষয়টি তদন্ত কর্মকর্তাকে অবগত করান সেসময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নার্গিস ফাতিমা তোকদার উপস্থিত ছিলেন।

তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার মো. তাজুল ইসলাম মন্ডল জানান, এই তদন্ত বিষয়ে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না তবে তিনি বলেন অভিযোগের সত্যতা যাচাই, নথিপত্র পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করে অধিদপ্তরে পাঠানো হবে।একই সঙ্গে তদন্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এ ঘটনায় শিক্ষক মহল ও স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের ফলাফলের দিকে এখন সবার নজর।

উলিপুরে শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা নিয়ে বরাদ্দ ফেরত ও অর্থ বিতরণে অসঙ্গতির অভিযোগ

উলিপুরে শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা নিয়ে বরাদ্দ ফেরত ও অর্থ বিতরণে অসঙ্গতির অভিযোগ

 

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ডাকযোগে গত ২৪ জানুয়ারী/২৬ লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামে প্রায় এক কোটি টাকা শ্রান্তি বিনোদন ভাতা বরাদ্দ আসে। তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ওই অর্থ শিক্ষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় সম্পূর্ণ অর্থ মন্ত্রণালয়ে ফেরত যায় বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে পুনরায় শিক্ষকদের জন্য শ্রান্তি বিনোদন ভাতার অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এবার অর্থ বিতরণের ক্ষেত্রে অধিকাংশ শিক্ষকের মূল বেতনের চেয়ে কম বা বেশি এবং কিছু ক্ষেত্রে দ্বৈত (ডাবল) হিসাব দেখিয়ে অর্থ প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে শিক্ষক সমাজের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছাঃ নার্গিস ফাতিমা তোকদার এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬-এর পূর্বে কর্মরত) মোঃ হাবিবুর রহমান-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষকদের দাবি, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ভাতা প্রদানে এ ধরনের অসঙ্গতির কারণে শিক্ষক সমাজের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের অভিযোগ, ভাতার অর্থ নির্ধারণ ও বিতরণে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি। ফলে প্রকৃৃত প্রাপ্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। যেসব শিক্ষকের ক্ষেত্রে কম বা বেশি অর্থ দেখানো হয়েছে তাদের একটি তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি জানান ভুলবসত কম-বেশি হতে পারে তবে কাউকে শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা ডাবল দেয়া হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছাঃ নার্গিস ফাতিমা তোকদারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না অফিসে আসেন, ব্যস্ত আছি বলে মোবাইল কল কেটে দেন।

বিভাগীয় সহকারী পরিচালক মো: আমিনুল ইসলাম মন্ডল মুঠোফোনে বলেন অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।